বুটেক্সে ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ৩.০

বুটেক্স থেকে সানজানা শওকত
ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ৩.০-তে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। ছবি: ক্যাম্পাস রিপোর্ট
ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ৩.০-তে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। ছবি: ক্যাম্পাস রিপোর্ট

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) অনুষ্ঠিত হলো ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ৩.০। 

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (বিওয়াইডিসি)।

এবারের অলিম্পিয়াডে দেশের ৩৭টি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। আয়োজন সফল করতে প্রায় ৮৪ জন শিক্ষার্থী ইভেন্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যাদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জনকে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করে। চারটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়- টেক্সটাইল কেইস প্রতিযোগিতা, টেক্সটাইল কুইজ (বহুনির্বাচনি ও ভাইভা), টেক্সটাইল পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং টেক্সটাইল কনটেন্ট রাইটিং।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে সকাল ৯টায় টেক্সটাইল কেইস প্রতিযোগিতা দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১১টায় টেক্সটাইল কুইজ, দুপুর ১টায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য খাবারের আয়োজন, বিকেল ২টায় পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং সন্ধ্যা ৬টায় পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে অলিম্পিয়াডের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বুটেক্স উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিউমন্ড টেক্স লিমিটেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহমিজ বকুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের মডারেটর অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদ সরকার, দ্যা ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স-এর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম ও সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. সায়েদুর রহমান, আইটিইটি সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনায়েত হোসাইন, আর্ক্রোমা গ্রুপের ট্রান্সফর্মেশন ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার আশফাক আহমেদ, আসুটেক্সের কান্ট্রি ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মো. আনিস-উর রহমানসহ অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, টেক্সটাইল বিষয়ে পড়াশোনা মানে শুধু পাঠ্যপুস্তকে সীমাবদ্ধ থাকা নয়; বরং গবেষণা, ক্লাব কার্যক্রম এবং খাত-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জন সম্ভব। বর্তমানে আমাদের টেক্সটাইল খাতে অনেক বিদেশি পেশাজীবী কাজ করছেন। তাদের জায়গায় কাজ করতে হলে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে হবে।

বিওয়াইডিসির সভাপতি অপূর্ব চন্দ্র দাস বলেন, ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম। এটি তাদেরকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।

সম্পর্কিত