গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল শীর্ষ গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে জয়লাভ করেছে। নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমে ছাত্রশিবিরের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং এর সমর্থকরা উল্লাস প্রকাশ করেছেন।
২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মো. রায়হান খান এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে সামিউল হাসান শোভন নির্বাচিত হয়েছেন।
রায়হান গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু চিকিৎসা ও প্রাণী বিজ্ঞান অনুষদের ছাত্র, এবং শোভন মেডিকেল ফিজিক্স ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমপিবিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থী। এই নির্বাচনে তাদের জয় ছাত্রশিবিরের জন্য রাজনৈতিকভাবে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন রাত সাড়ে ১১টার দিকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রায়হান এবং এজিএস পদে শোভন বিজয়ী হয়েছেন। ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের এই বিজয় তাদের রাজনৈতিক প্রভাবকে বিশ্ববিদ্যালয়ে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক মহলে নির্বাচনের এই ফলাফল ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রশিবিরের প্যানেল জয়ী হওয়ায় তাদের সমর্থকরা বিভিন্ন মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও সক্রিয় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে।
এটি শুধু নির্বাচনের ফলাফলের প্রতিফলন নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় ভেতরে ছাত্রশিবিরের প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতীক হিসেবেও ধরা হচ্ছে। গবিতে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে, যা পরবর্তী নির্বাচন ও শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণে প্রভাব ফেলবে।