ঢাকার মিরপুর বাংলামটর মোড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কার্যালয়ের সামনে ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রূপায়ন টাওয়ার এলাকা থেকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা এনসিপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের স্লোগান দেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
প্রার্থীরা দাবি করেন, পুলিশ পিএসসি ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালায় এবং এনসিপির দেওয়া আশ্বাস এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের হামলায় সাধারণ প্রার্থীরা ছাড়াও গ্যাজেটেড জুলাই যোদ্ধারা আক্রান্ত হয়েছেন, এমনকি নারীরাও নিরাপদ ছিলেন না।
বিক্ষোভকারীরা আরও জানাচ্ছেন, ৪৩তম বিসিএস ভাইভায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদসংখ্যার সীমার কারণে ক্যাডার পদে অযোগ্য প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দ্রুত পিএসসিতে নন-ক্যাডার প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত পদে সুপারিশ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে “নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২৫” (২০২৩ সালের সংশোধিত নন-ক্যাডার বিধি) অবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের মাধ্যমে গেজেট আকারে প্রকাশ করা। এটি চলমান ৪৩তম, ৪৪তম, ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএস প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ নিশ্চিত করবে।
বিক্ষোভটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি বিসিএস প্রার্থীদের চাকরির সুযোগ ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিবাদকারীরা মনে করছেন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং প্রার্থীদের বৈধ দাবির প্রতি গুরুত্ব দিতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এ ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি সমাজে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করে।